একাত্তরতম অধ্যায়: দুষ্ট শক্তি দমনকারী স্বর্ণদেহ (চার হাজার)
জলরেখার ওপার, নীল পাথরের নিচে নীরব প্রতিবিম্ব।
মাঠজুড়ে উপস্থিত অর্ধশতাধিক কর্মাধ্যক্ষ বিস্ময়ে বিমূঢ়, চারপাশে শুধুই ঝরনার স্রোতস্বিনী, বাকিটা নিস্তব্ধ, যেন সময় এক মুহূর্তে স্থির। অনেকক্ষণ পরে, সবার প্রবীণ ও শ্বেতকেশ কর্মাধ্যক্ষ ঠোঁট নাড়িয়ে ধীরে বললেন, ‘‘সে... সে কি সত্যিই জিতেছে?’’ পাশে থাকা তরুণ কর্মাধ্যক্ষ উত্তর দিল, ‘‘হ্যাঁ, কর্মাধ্যক্ষ মহাশয়।’’
নিজ চোখে দেখা দৃশ্য অসত্য নয় জেনে, প্রবীণ কর্মাধ্যক্ষ পাশের ন্যায় সিংহাসনের শ্রেষ্ঠ শিষ্য, নীতবদ্ধ ও নির্ভীক নীরবকে দেখলেন। এই মুহূর্তে নীরবের ঠোঁটে এক হালকা হাসি, মাথা নত করে বললেন, ‘‘ভালো করেছো! দক্ষিণ院ের সিদ্ধান্ত ঠিক ছিল, শতবর্ষে প্রথমবার তুমি সাহস করে ছায়ামানবদের গর্তে ঝাঁপ দিয়েছো, বরং উল্টো দানবকেও পরাস্ত করেছো।’’
‘‘সীতু কর্মাধ্যক্ষ—’’
নীরব ডেকে নিয়ে বললেন, ‘‘এই ছেলেটিকে নিয়ে যাও, দক্ষিণ院ে চিকিৎসার ব্যবস্থা করো।’’
শ্রেষ্ঠ শিষ্য নীরবের নির্দেশে সীতু কর্মাধ্যক্ষ একটু অবাক হয়ে তাকালেন, তারপর মাথা নাড়লেন, ‘‘বুঝেছি, এখনই ব্যবস্থা নিচ্ছি।’’
তিনি উঠে দাঁড়াতেই কয়েকজন কর্মাধ্যক্ষ দ্রুত ছুটে গেলেন।
নীল পাথরের নীরব প্রতিবিম্বের দিকে একদৃষ্টে চেয়ে নীরব আঙ্গুল ঘষে ফিসফিস করলেন, ‘‘ঈশ্বরপুত্র... কীভাবে ঈশ্বরশক্তির বিপরীতে গেলো?’’
‘‘আর ওটা... ঐ দেব-ছায়া, আগে কখনও দেখিনি...’’
...
‘‘মারো!’’
হঠাৎ চোখ মেলে关鹏 বিছানায় উঠে বসলো, শরীরজুড়ে রক্তপ্রবাহ বিস্ফোরিত, প্রবল তরঙ্গ তোলায় ঘরটাই প্রায় ভেঙে পড়েছিল।
ভাগ্য ভালো, জাগরণে বাস্তব অনুভূতি পেয়ে দ্রুত নিজের শক্তি সামলে নিলো, নইলে জাগরণেই ধ্বংসস্তূপে চাপা পড়তো।
‘‘তাহলে... নির্বাচনী পরীক্ষা শেষ?’’
নিজের ঘর ও শরীরে জড়ানো ব্যান্ডেজ দেখে关鹏 কপাল চেপে হাঁফ ছাড়লো, ‘‘ভাগ্যিস, তৃতীয় দফা পরীক্ষা ছিল না, এই অবস্থায় জিততে পারতাম না।’’
দানবের সঙ্গে লড়াইয়ে সে সব শক্তি উৎসর্গ করেছিল; শেষ মুহূর্তে সাধারণ মুষ্টিযুদ্ধ উন্নীত না হলে, কোনোভাবে জিতলেও চরম আঘাত পেতো—
‘‘তাড়াহুড়োর সিদ্ধান্তটা ভুল ছিল বোধহয়।’’
দক্ষতা তালিকায় ‘ঈশ্বর-ঘাতক’ দেখে关鹏 থুতনি চেপে গভীর চিন্তায় পড়লো। সাধারণ মুষ্টিযুদ্ধের উন্নতি দুটি পথে—‘ঈশ্বর-ঘাতক’ ও ‘অমরিত-নিষেধ’।
চাপের মুহূর্তে, ‘অমরিত-নিষেধ’-এর অর্থ অস্পষ্ট ছিল বলে সে পরিষ্কার অর্থবোধক ‘ঈশ্বর-ঘাতক’ বেছে নিয়েছিল।
এই দক্ষতার ক্ষমতাও সত্যিই বিস্ময়কর।
আহ্বান করা ফুমো-অমর লোহিত অরণ্য, দানবের সামনে একতরফা ধ্বংস।
তবে এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া—আহূত শক্তির সঙ্গে প্রবল বিশ্বাস-স্পন্দন প্রবাহিত হয়, প্রতিরোধ না করতে পারলে ব্যক্তিত্বে পরিবর্তন আসে।
এটি ‘বাজপাত্র’-এর মতোই।
তবে ‘বাজপাত্র’ যতবার ব্যবহার হয়, মনোজগতের গভীরে ধীরে ধীরে পরিবর্তন আনে; ‘ঈশ্বর-ঘাতক’-এর বিশ্বাস স্রোত আরও সরাসরি ও হিংস্র।
ভাগ্যক্রমে ‘বাজপাত্র’ আগে চর্চা করেছিল বলে, দুটি দক্ষতার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া পরস্পর প্রতিহত হয়েছে, নইলে তার ব্যক্তিত্ব ইতিমধ্যেই পরিবর্তিত হয়ে যেতো, আর ফিরত না।
স্মরণে এলো, মহাশক্তি যখন কপালে প্রবাহিত হচ্ছিল, নিজের চেতনা বদলে যাচ্ছিল, তখন মেরুদণ্ডে কাঁপুনি লেগেছিল关鹏ের—
‘‘একটু এদিক-ওদিক হলেই সর্বনাশ হত।’’
‘‘তবুও... পুরোপুরি খারাপও নয়।’’
ডান হাত মেলে ভেতরের শক্তি আহ্বান করলো关鹏; ত্বকে লাল-সোনালী দীপ্তি ফুটে উঠলো, দুই হাত ধাক্কা দিলো—
ঘন ধাতব ধ্বনি গমগম করে উঠলো!
ফুমো অমর শরীর—
ফুমো-অমর লোহিত অরণ্যের শক্তি থেকে পাওয়া ক্ষমতা!
যদিও ঈশ্বরশক্তি ‘বাজপাত্র’ দিয়ে বিতাড়িত হয়েছে, কিন্তু তার ভেতরের গুপ্ত তথ্যশক্তি শরীরে প্রবাহিত হয়ে关鹏ের নিজের হয়ে গেছে।
হাতের সোনালী দীপ্তির দিকে চেয়ে关鹏 হঠাৎ ভাবলো—
‘আমি既 ফুমো-অমর লোহিত অরণ্যের ক্ষমতা গ্রহণ করতে পারি, তাহলে অন্য ঈশ্বরশক্তি আহ্বান করে নিঃশেষ করে দিলে, সব দেবতার শক্তি কি এভাবেই অর্জন করা সম্ভব?’
কিন্তু—
‘এটা কার্যকর মনে হলেও, প্রতিবার কি ঠিকঠাক শক্তি আহ্বান করা সম্ভব? যদি আমার সহ্যসীমার বাইরে চলে যায়, আমি নিজেই ফাঁদে পড়বো। তাই আগে শক্তি বাড়াতে হবে, নইলে এটা অবাচ্য।’
লোভ সংবরণ করে关鹏 দীপ্তি গুটিয়ে নিলো, চোখের দীপ্তিও স্তিমিত হলো।
এখনো সে কেবল পূর্ণ শক্তির সীমায়, প্রকৃত অর্থে ‘জাগতিক যাত্রা’ শুরু হয়নি, অতিরিক্ত উচ্চাকাঙ্ক্ষা নিজের পথ বন্ধ করবে—এটা নির্বুদ্ধিতা।
ঘরের দরজা খোলার শব্দ—
এক হাতে মদের কলসি নিয়ে নীরব প্রবেশ করলো।
‘‘নীরব দাদা?’’ বহুদিন পর দেখা পেয়ে关鹏 হাসলো।
‘‘তুই তো বাজিমাত করেছিস, এক চালেই আমাদের শতবর্ষের রেকর্ড ভেঙে দিলি, আমায় তিন রাত ধরে রিপোর্ট লিখতে হলো কেন আমাদের পোষা দানব হঠাৎ মারা গেলো।’’
关鹏ের সামনে এসে নীরব মদের কলসি এগিয়ে দিলো, তারপর বিছানায় বসে পড়লো।
‘‘তোমরা কি দানব পোষে? তাহলে বাকি লোকগুলোও... সবাই সত্যিকারের মানুষ?’’
মদের কলসি নিতে নিতে关鹏 থমকে গেলো।
সে ভেবেছিল, কালো পাহাড়ের গ্রামটা কৃত্রিম, সবই মায়া।
তাহলে যাদের দানব খেয়েছে, তারা তো—
‘‘তুমি ভাবছো আমরা জীবন্ত মানুষকে পরীক্ষার উপকরণ বানিয়েছি, আর তাদের দানবের মুখে পড়তে দেখেও কিছু করিনি—নিষ্ঠুর।’’
关鹏ের চোখের গভীরে দ্বিধা দেখে নীরব সরাসরি বললো।
关鹏 মাথা নাড়লো, ‘‘হ্যাঁ।’’
নীরব মদের মুখের সিল খোলার পর জানালার বাইরের দিকে তাকিয়ে বললেন,
‘‘তুই জানিস, কালো পাহাড়ে আগে কটি গ্রাম ছিল?’’
关鹏 অবাক হয়ে মাথা নাড়লো।
‘‘তেরোটা। কালো পাহাড়ের গ্রাম একা জলাধার দখলের লোভে, পাতাললোকের গোপন বিদ্যা এনে ছিদ্র খুলেছিল, দানব ডাকিয়েছিল।
আমরা পৌঁছাতে পৌঁছাতে, কালো পাহাড়ের বাকি সব গ্রাম ধ্বংস হয়ে গেছে, শুধু কালো পাহাড়ের গ্রাম বেঁচেছিল।
তুই ভাবিস ওরা করুণ।
আসলে ওরা অপরাধী।’’
‘‘একটা ছোট দলের ভুলের জন্য কি পুরো গ্রামকে শাস্তি দেওয়া ঠিক?’’
关鹏ের মুখ কঠিন।
নীরব关鹏ের কাঁধে চাপড়ে হেসে বললো,
‘‘বোকা ছেলে, দুনিয়ায় কি একেবারে ন্যায় বিচার আছে?
তুই ভাবিস ওই গ্রামে অবিচার হয়েছে, কিন্তু বাকি বারোটা গ্রাম?
পাতালের সঙ্গে আঁতাত, এলাকাজুড়ে মহাপাপ।
এটা সবখানে চরম অপরাধ।
আরো কিছু—’’
নীরবের চোখে কঠিন শীতলতা,
‘‘ওরা গ্রামে সবাই মিলে পাতালের শক্তি নিতে আলোচনা করেছিল।’’
‘‘মানে?’’
‘‘এত বড় সিদ্ধান্ত, দুই-তিনজনেই কি করতে পারে? গ্রামের সবাই না চাইলে এত বড় ঝুঁকি কেউ নেবে না।’’
কালো পাহাড়ের গ্রামের কলঙ্কিত ইতিহাস বলে নীরব হেসে বললো,
‘‘দানব তো মরেই গেলো, তাদের পাপ তোর হাতেই শেষ।
যারা মূল ঘটনা ঘটিয়েছিল, তারা সাবেক পাত্রেই পুড়েছে, বাকি যারা বেঁচে, তাদেরও অপরাধ আছে, তবে এখন ওদের অন্যভাবে অনুশোচনা করতে দে।’’
মদের কলসির ভারে关鹏 বুঝলো, নীরব ইচ্ছে করেই মনোবেদনা কমাতে এ কথাগুলো বলছে।
বুক উজাড় করে অগ্নিমদ্য পান করে, শ্বাসে আগুনের ঝাঁজ টের পেয়ে关鹏 নীরবকে হাত তুলে বললো,
‘‘ধন্যবাদ।’’
‘‘সহপাঠীদের মধ্যে ধন্যবাদ চলে না। চল, বিশ্রাম নে, বাকিদের পরীক্ষা শেষ হলে তোকে আনুষ্ঠানিকভাবে দীক্ষা দেব, আহ~ কতটা উৎসুক হচ্ছি~’’
‘‘উৎসুক? কেন?’’
关鹏 অবাক, নীরবের উদ্দেশ্য বোঝে না।
নীরব পিঠ ঘুরিয়ে শুধু হাত নাড়লো,
‘‘ঠিক সময়ে বুঝতে পারবি।’’
নীরবের অর্ধেক বলা কথায়关鹏 মাথা নেড়ে আবার গলায় অগ্নিমদ্য ঢাললো।
...
চতুর্থ দিন,
অগ্নিমদ্য ও দুই কর্মাধ্যক্ষের পরিচর্যায়关鹏 প্রায় সুস্থ, শুধু ফুমো-অমর লোহিত অরণ্যের শক্তির ধাক্কায় মাথাব্যথা পুরো যায়নি, বাকি জখম সব সেরে গেছে।
‘‘关鹏 দাদা, আসুন, দীক্ষা শুরু হবে।’’
লাল বাঘছাপ চোগায় সজ্জিত,铜দর্পণের সামনে দাঁড়ানো关鹏,
তার বিশাল দেহে চোগা যেন আরও রাজসিক।
দরজার বাইরে কর্মাধ্যক্ষের ডাকে关鹏 সাড়া দিয়ে দরজা খুললো।
‘‘关鹏 দাদা, আ...’’
বাইরে অপেক্ষমাণ কর্মাধ্যক্ষ তরুণী, দরজা খুলতেই তার দৃপ্ত চেহারা দেখে গাল রাঙা হয়ে উঠলো।
‘‘চলুন... আমার সঙ্গে আসুন।’’
লজ্জায় মুখ ঘুরিয়ে, মুখে হাত চাপড়ে, মৃদু স্বরে বললো।
关鹏 মাথা নাড়লো।
তার নেতৃত্বে关鹏 সেই প্রাঙ্গণ ছাড়লো, যেখানে চার দিন ছিল।
দরজা পার হতেই, পাহাড়ি হাওয়ায় ঘ্রাণ, চমকে তাকিয়ে দেখলো, প্রবল প্রশস্ত চূড়ার ওপর সে দাঁড়িয়ে।
চূড়া একাকী খাড়া শিখরের প্রায় শীর্ষে, নিচে বিস্তীর্ণ শ্বেতপাথর প্রাঙ্গণ, শেষপ্রান্তে বিরাট প্রাসাদ, দুই পাশে স্ফটিক বৃক্ষ, পুষ্পবন, নীলাভ আভা ছড়ানো।
এখানে关鹏 ছাড়াও আরও সতেরো-আঠারো জন লালচোগা পরা, শক্তিপূর্ণ যুবা উপস্থিত।
关鹏কে নিয়ে কর্মাধ্যক্ষ সরে গেলো।
কিছুক্ষণ পর, মেঘের ঢেউয়ের মাঝে আরও দুই কর্মাধ্যক্ষ, সঙ্গে নির্বাচিত দুই শিষ্যকে নিয়ে এলো।
‘‘তুমি... ঝু গুয়ি?’’
দু'জনের একজন চেনা—万兽泊-এর পরিচিত ঝু গুয়ি!
‘‘关鹏 ভাই।’’
পুনর্মিলনে铁无忌 হাসিমুখে হাত নাড়লো।
‘‘তুমিও শেষ পর্যন্ত টিকেছো, অভিনন্দন।’’
关鹏 জানে না ঝু গুয়ি তার পর 宁洁দের রুদ্ধ করেছিল, তবু তার উত্তীর্ণ হওয়া দেখে অবাক।
‘‘ভাগ্য।’’
এখনও সেই সরল হাসি铁无忌-র মুখে।
‘‘শান্ত হও!’’
গম্ভীর ডাক, প্রবল চাপ, চারপাশের মেঘ নিচে নেমে এলো।
‘‘চার院 এখন শিষ্য বেছে নিতে পারবে!’’
প্রকাণ্ড নীরব এগিয়ে এসে关鹏ের কাঁধে হাত রেখে সরাসরি বললো,
‘‘এই জন, দক্ষিণ院ে আমার!’’
‘‘ওহে! নীরব, তুমি আবার লাইন কাটছো! এ বছর তো আমাদের পূর্ব院 আগে!’’
দলে থেকে আরেক বিশাল আকৃতির, চকচকে টাক মাথার পুরুষ উচ্চকণ্ঠে আপত্তি তুললো।
নীরব আত্মবিশ্বাসী হাসি দিয়ে পাঁচ আঙুল দেখিয়ে বললো,
‘‘পাঁচ কলসি রক্ত-মদ! ফিরে যা!’’
বিস্ময়ে টাক মাথা তাকিয়ে关鹏কে দেখে ভাবলো,
‘‘না, অন্তত ছয় কলসি।’’
‘‘চার কলসি!’’
‘‘ভুল হয়েছে, আপনি আগে বেছে নিন!’’
সরাসরি হার মানলো টাক মাথা, নীরবের সামনে কুর্নিশ করে দলে ফিরে গেলো।
‘‘হা হা হা! কেউ আছে আপত্তি?’’
নীরব গর্বে হাসলো।
উত্তর ও পশ্চিম院ের জ্যেষ্ঠরা সুযোগ নিতে চাইলেন,
নীরব সাদা দাঁত বের করে বললো,
‘‘আমি ওল্ড ওয়েইকে হারাতে পারি না, তোমরা পারো?’’
তার চোখের দৃষ্টিতে দুই院ের জ্যেষ্ঠরাও মাথা নত করলো,
‘‘ভুল বোঝো না, কোনো আপত্তি নেই।’’
‘‘হুম~’’
নাক উঁচিয়ে নীরব সামনে থাকা প্রায় পঞ্চাশোর্ধ এক পুরুষকে বললো,
‘‘তৃতীয় কাকা, কেউ আপত্তি করছে না, ছেলেটাকে নিয়ে যাচ্ছি।’’
হুয়াং ইউয়ানলং মাথা নেড়ে বললেন,
‘‘চলে যাও!’’
উদ্দেশ্য সফল, নীরব关鹏কে নিয়ে প্রাসাদের দিকে রওনা দিলো।
‘‘关鹏 ভাই, দেখা হবে!’’
হাসিমুখে鉄无忌 হাত নাড়লো।
关鹏ও মাথা নেড়ে এগিয়ে চললো।
শত মিটার মতো পেরিয়ে,
নীরব关鹏কে জিজ্ঞেস করলো,
‘‘ও মোটা ছেলেটাকে চেনো?’’
‘‘万兽泊-এ একসঙ্গে ছিলাম, একটু জানাশোনা।’’
‘‘ওর মন শুদ্ধ, পশ্চিম বা উত্তরে গেলে ভালো, পূর্ব院ে গেলে কষ্ট পাবে।’’
নীরবের কথার ইঙ্গিত关鹏 বুঝলো না, কথার গূঢ়তা পাহাড়ি বাতাসে মিলিয়ে গেলো...